মঙ্গলবার মাসিক লাভের অর্থ নিতে এসে ওই নারীকে না পেয়ে তখন সকলেই বুঝতে পারে তারা চরম প্রতারনার স্বীকার হয়েছেন। এসময় তার সীমা আক্তারের বাড়ি অবরোধ করে বিক্ষোভ করেন। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনা স্থলে গিয়ে ওই নারী শিক্ষিকাকে আটক করে থানায় নিয়ে যায়। এদিকে ওই প্রতারকের কাছে অর্থদিয়ে অনেকেই এখন সর্বশান্ত হয়ে পড়েছেন। ওই প্রতারক নারী ব্যবসায়ীর বৈধ কোন কাগজ পত্র পাওয়া যায়নি। তিনি এক জনের কাছে থেকে অর্থ নিয়ে আরেক জনকে দিয়েছেন বলে স্বীকার করেন। প্রতারনার স্বীকার সাধারন মানুষ তাদের অর্থ ফিরে পাবার জন্য প্রশাসনের সহযোগিতা প্রত্যাশা করেছেন।
এব্যাপারে নারী প্রতারক মোছা: সীমা আক্তার বলেন, ‘আমার কোন বৈধ ব্যবসা নাই। এক জনের কাছ থেকে টাকা নিয়ে আরেকজনকে দিয়েছি। যারা টাকা দিয়েছে তাদেরকে সুদে অনেক টাকা লাভ দিয়েছি। আমি কারো টাকা আত্মসাত করি নাই। মানুষ না জেনে না বুঝে আমাকে কেন টাকা দিয়েছে। তাদেরকে প্রশ্ন করুন। সম্প্রতি যারা আমাকে টাকা দিয়েছে তাদের টাকার একটি হিসাব করেছি। সেখানে প্রায় তিন কোটি টাকার মত হবে। সেই সকল টাকা আমি দিয়ে দিবো। আর যারা সুদে লাভের টাকা নিয়েছে তাদেরটা দিবোনা। আর আমাকে কেন স্কুল থেকে বহিস্কার করেছে সেটি স্কুল কর্তৃপক্ষ জানে। আমি ব্যক্তিগত কাজে বাহিরে ছিলাম। জেলা পুলিশ আমাকে আসতে বলেছে, আমি এসেছি’।
পাবনার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ¯িœগ্ধ আখতার বলেন, এবিষয়ে আমরা অবগত হয়েছি। এই ধরনরে অভিযোগের কারনে তাকে স্কুল থেকে বহিস্কার করা হয়েছে। প্রতারণার বিষয়ে মামলা হয়েছে। তাকে গ্রেফতার করে আদালতে সোপর্দ করা হলে বিজ্ঞ আদালত তাকে জেল হাজতে প্রেরন করেছে।









