জানা গেছে, শ্রী শ্রী ঠাকুর অনূকূল চন্দ্রের অনুসারিদের সংগঠন সৎসঙ্গ বাংলাদেশ পাবনা শহরের পাথরতলা মহল্লায় ঠাকুর ভক্তদের জন্য আশ্রম নির্মানে জমি ক্রয় করে দুইটি ভবন নির্মান করে আশ্রম বা সৎসঙ্গ বাংলাদেশের কার্যক্রম পরিচালনা করছিলেন। পাবনার সর্বস্তরের মানুষসহ এলাকাবাসীর সার্বিক সহযোগিতায় আশ্রমের কার্যক্রম সুষ্ট ও সুন্দরভাবে পরিচালিত হয়ে আসছিল। এরই এক পর্যায় সৎসঙ্গ বাংলাদেশ নতুন ভবন নির্মান কাজ শুরু করে। এসময় সৎসঙ্গ বাংলাদেশের কতিপয় নেতা স্বৈরাতান্ত্রিকভাবে স্থানীয় বাসিন্দাদের মতামতকে অবজ্ঞা করে বিধিবর্হিভূত ভবন নির্মান কাজ শুরু করায় মহল্লাবাসি ক্ষুব্ধ হয়।
ক্ষুব্ধ মহল্লাবাসি বাধ্য হয়ে এলাকার পরিবেশ ও শান্তি রক্ষা এবং বিধিবর্হিভূত ভবন নির্মান কাজ বন্ধ করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য পাবনা পৌর সভার মেয়র বরাবর একটি আবেদন করেন। পৌর কর্তৃপক্ষ গত ১২ সেপ্টেম্বর সৎসঙ্গ বাংলাদেশ কর্তৃপক্ষকে নির্মান কাজ বন্ধ রেখে তিন দিনের সময় দিয়ে কারণ দর্শানো নোটিশ প্রদান করেন। কিন্ত সৎসঙ্গ বাংলাদেশ কর্তৃপক্ষ পৌর কর্তৃপক্ষের আদেশ অমান্য করে নির্মান কাজ চালিয়ে যান। ফলে গতকাল দুপুরে পৌর কর্তৃপক্ষ সৎসঙ্গ বাংলাদেশ’র বিধিবর্হিভূত ভবন নির্মান কাজ বন্ধ করে দিয়েছে।
একটি সুত্র দাবী করেছে, পাবনার পাথরতলায় ঠাকুর ভক্তদের জন্য আশ্রম নির্মান কাজকে কেন্দ্র করে বিপুল অংকের অর্থ তসরুপ করার অসৎ উদ্যোশ্যে সৎসঙ্গ বাংলাদেশের কতিপয় নেতার স্বৈরাতান্ত্রিক আচরণে সাধারন সৎসঙ্গীরা চরম ক্ষুব্ধ। এঘটনাকে কেন্দ্র করে সৎসঙ্গ বাংলাদেশ দুটি ধারায় বিভক্ত হয়ে পড়েছে। ফলে সংগঠনে শৃঙ্খলাও ভেঙ্গে পড়েছে। পাবনাসহ দেশ-বিদেশে শ্রী শ্রী ঠাকুর অনূকূল চন্দ্রের অনুসারি সাধারন সৎসঙ্গীরা বিষয়টির দ্রæত সমাধান প্রত্যাশা করেছেন।
এব্যাপারে সৎসঙ্গ বাংলাদেশের সাধারন সম্পাদক ধ্রæতব্রত আদিত্য জানান, তিনি বাহিরে আছেন, পাবনা পৌর কর্তৃপক্ষের একটি নোটিশের কথা শুনেছি, এখনও হাতে পায়নি, পেলে বিস্তারিত জানাবো। তিনি বিষয়টির দ্রæত সমাধান হবে বলেও জানান।







