হাসান
জানাযায়, উপজেলার ধুলাউড়ি শাখা ব্র্যাকের গ্রাহকদের ঋণের কিস্তি জমা না করে ক্রেডিট অফিসার হাসান আলীর বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ উঠে। অভিযোগের ভিত্তিতে সংস্থাটি ৪ সদস্যের মনিটরিং কমিটি গঠন করে। মনিটরিং কমিটি তদন্ত পূর্বক ২২ সেপ্টেম্বর রাতে অভিযুক্ত ক্রেডিট অফিসার হাসান আলীর বিরুদ্ধে মামলা করেন ব্র্যাকের আঞ্চলিক ব্যবস্থাপক আলিমুজ্জামান।
অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ রাতেই হাসান আলী (৩২) কে আটক করে। তার বাড়ি যশোর জেলার কাশিমপুর গ্রামে।
লিখিত অভিযোগে জানা যায়, হাসান আলী ২০ সালের জুন মাস থেকে ২১ সালের সেপ্টেম্বরের মধ্যে দায়িত্বে থাকা অবস্থায় গ্রাহকদের নিকট থেকে ঋণের ৫৫ লক্ষ টাকা আত্মসাত করেছে। কিস্তির টাকা বহিতে না তুলে সে নিজরে নিকট রেখে তা আত্মসাত করে।
গ্রাহক ছরোয়ার, বাবুল, স্বপন বিশ্বাস, হিদাই,মকছেদ আলী, রেশমা,মকছেদ আলী, সুমি খাতুন, সবুজ সাগরসহ প্রায় অর্ধশতাধিক ভুক্তভোগীরা জানান, তাদের ঋণের বিপরীতে কিস্তির টাকা দেয়া হলেও ক্রেডিট অফিসার হাসান ওই টাকা জমা না করে আত্মসাৎ করে।
অভিযুক্ত ব্র্যাকের ক্রেডিট অফিসার হাসান জানান, বিভিন্ন সময় ভুলে গ্রাহকদের ঋণের ৩ লক্ষ টাকা আমার নিকট আছে। বিকালে ব্রাকের কর্মকর্তারা মিমাংসার জন্য ডেকে এনে আমাকে পুলিশের হাতে তুলে দেয়।
এ বিষয়ে ব্র্যাকের আঞ্চলিক ব্যবস্থাপকের নিকট জানতে চাইলে তিনি জানান, এ বিষয়ে আমি কোন বক্তব্য দিতে পারব না। জেলা অফিসের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তার সাথে কথা বলার পরামর্শ দেন।
সাঁথিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আসিফ মোহাম্মদ সিদ্দিকুল ইসলাম জানান, ব্র্যাক কর্তৃপক্ষের অভিযোগের ভিত্তিতে হাসানকে আটক করা হয়েছে। তাকে বৃহস্পতিবার পাবনা আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।









