সাঁথিয়া (পাবনা)সংবাদদাতা: শশুড় বাড়ী এসে সজল (২৪) নামে এক বিজিবি সদস্য স্ত্রী, শশুড়- শাশুড়ীকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে রক্তাক্ত জখম করেছে। ঘটনাটি ঘটেছে সাঁথিয়ার মাধপুর গ্রামে গতকাল বুধবার রাত ১১ টার দিকে।
জানা যায়, কাউকে না জানিয়ে বিজিবি সজল সারপ্রাইজ দেওয়ার জন্য সাঁথিয়ায় শশুড় বাড়ী আসেন। শশুড় বাড়ী আসার আগে সজল তার স্ত্রীকে বুধবার বিকালে মোবাইল ফোনে জানান তোমার ঘরের দরজা খোলা রেখো। বিষয়টি বিথি জানতে চাইলে সজল বলে একটা সারপ্রাইজ মাত্র। রাত ১১টার দিকে গেটের সামনে বিথি বাঁচাও বাঁচাও বলে চিৎকার করেন। মেয়ের চিৎকার শুনে মা কমেলা খাতুন এগিয়ে গেলে সজল ডেগার দিয়ে মা-মেয়েকে এলোপাথারী ভাবে কুপাতে থাকে। বিথির পিতা মজনু খাঁ এগিয়ে গেলে তাকেও কুপায় জামাই সজল। তাদের চিৎকারে প্রতিবেশীরা এগিয়ে আসার আগেই পাশে রাখা সিএনজি নিয়ে পালিয়ে যায় বিজিবি সদস্য সজল। ওই রাতেই আতাইকুলা থানার অফিসার ইনচার্জ জালাল উদ্দিন ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে গুরুতর আহতদের পাবনা সদর হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য পাঠান। তাদের অবস্থার আশংকা জনক দেখে কর্তব্যরত চিকিৎসক রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করেন। বিথির অবস্থা আশঙ্খা জনক বলে চিকিৎসক জানান।
চলতি বছরের ২১ জুলাই পারিবারিক ভাবে উপজেলার আর.আতাইকুলা ইউনিয়নের মাধপুর গ্রামের মজনু খাঁর মেয়ে বিথী খাতুনের সাথে একই উপজেলার দৌলতপুর গ্রামের ফজলুল হক খানের ছেলে সজলের সাথে রেজিষ্ট্রি বিহীন বিবাহ হয়। নতুন চাকুরীর কারনে বিবাহ রেজিষ্ট্রি হয়নি বলে জানান। সজল খান আইডি নং-৯৪, জিডি-১৬০২৬৯, ৫৯ বিজিবি রহনপুর ব্যাটালিয়ান (৫৯) বিজিবির সদস্য। ৩০০ টাকার নন-জুডিশিয়াল স্ট্যাম্পে উপস্থিত উভয় পক্ষের অভিভাবক, স্বাক্ষী ও সজলের স্বাক্ষরিত স্ট্যাম্পে ৫ লক্ষ টাকা যৌতুকের চুক্তিতে বিয়ে হয়। কয়েক মাস পর সজলের দাবির প্রেক্ষিতে ও কন্যা সুখের কথা চিন্তা করে শশুড় মজনু খাঁ জামাইকে আরো ১ লক্ষ টাকা দেন।
আতাইকুলা থানা অফিসার ইনচার্জ জালাল উদ্দিন বলেন এখনও মামলা হয়নি। তবে মৌখিক ভাবে বাংলাদেশ বর্ডার গার্ড(বিজিবি) কে জানানো হয়েছে। মামলা হলে আইনগত ব্যবস্থা ব্যবস্থা নেওয়া হবে।








